শুক্রবার, ২৩ মে ২০২৫, ০৯:১০ অপরাহ্ন
মহিদুল ইসলাম (শাহীন) খুলনা ব্যুরো প্রধান।
বাংলাদেশ আমার অহংকার এই স্লোগান নিয়ে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিভিন্ন ধরনের অপরাধীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে জোড়ালো ভূমিকা পালন করে আসছে। র্যাবের সৃষ্টিকাল থেকে অবৈধ অস্ত্র,গোলাবারুদ উদ্ধার,চাঁদাবাজ,সন্ত্রাসী,খুনী, ছিনতাইকারী,অপহরণকারী এবং প্রতারকদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগণের মনে আস্থা র্অজন করতে সক্ষম হয়েছে।
ঘটনা পর্যালোচনায় জানা যায় যে, গত ১৮/০৮/২০২৪ খ্রিঃ অনুমান ১ টার সময় বাড়ির লোহার গেট ভাঙ্গার শব্দ পেয়ে মামলার বাদী (ভিকটিম) এর ঘুম ভেঙ্গে যায় এবং বিদ্যুৎ এর আলোতে দেখতে পায় মুখে গামছা পেচানো ৫/৬ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল ঘরে প্রবেশ করছে। তিনি কিছু বুঝে উঠার আগেই ডাকাত দল ওড়না দিয়ে স্ত্রী,সন্তান এর হাত, পা ও চোখ বেধে ফেলে এবং সর্বমোট মূল্য-
৮,২০,০০০/- টাকা মূল্যের মালামাল নিয়ে যায়। পরবর্তীতে,ডাকচিৎকার দিয়ে স্থানীয় লোকজন এবং পুলিশ এর সহয়তায় ১টি পাইপগান এবং কার্তুজসহ ১টি একনলা বন্দুক উদ্ধার পূর্বক একজন ডাকাতকে আটক করে। উক্ত আটককৃত ডাকাতের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পলাতক আসামিদের নামে নড়াইল জেলার কালিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
ঘটনার পর হতে মামলার অন্যান্য আসামিগণ দেশের বিভিন্ন জায়গায় পালিয়ে বেড়ায়। পরবর্তীতে, পলাতক আসামি সাদ্দাম চৌধুরীসহ অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব-৬, সদর কোম্পানি এবং র্যাব-১০, সিপিএসসি ঢাকার যৌথ আভিযানিক দল গোয়ন্দো নজরদারী ও অভিযান কার্যক্রম চলমান রাখে।
এরই ধারাবাহিকতায় ১০ মে ২০২৫ ইং তারিখ, র্যাব-৬, সদর কোম্পানি, খুলনা এবং র্যাব-১০, সিপিএসসি ঢাকার যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কেএমপি খুলনার সদর থানাধীন রেল স্টেশন রোড,কদমতলী, এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত মামলার এজাহার নামীয় আসামি সাদ্দাম চৌধুরী (৩০), পিতা-মফজেল ওরফে মোঃ তাজু চৌধুরী, সাং- কলাবাড়িয়া, থানা- কালিয়া, জেলা- নড়াইলকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে নড়াইল জেলার কালিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।